বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। বিশেষ করে সত্তর বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার বা হৃদ্রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। চিকিৎসকদের মতে, এই বয়সে হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যের প্রতি বাড়তি যত্নশীল হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ানোর পেছনে বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা ও অভ্যাস কাজ করে। এর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং রক্তে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল অন্যতম। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বা খাদ্যাভ্যাসও হৃদ্যন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
হৃদ্যন্ত্র বিকল হওয়ার আগে শরীর কিছু আগাম সংকেত বা লক্ষণ প্রকাশ করে। এসব লক্ষণ আগে থেকে শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো বুকে অস্বস্তি অনুভব করা। অনেক সময় এই অস্বস্তি থেকে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে।
অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠাও হৃদ্রোগের একটি বড় লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিরা যদি সামান্য কাজ করেই অতিরিক্ত ক্লান্ত বোধ করেন, তবে সেটিকে বার্ধক্যজনিত সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করা উচিত নয়।
শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া হৃদ্যন্ত্রের দুর্বলতার অন্যতম উপসর্গ। শোয়া অবস্থায় বা হাঁটাচলার সময় যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তবে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
Reporter Name