ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে সহিংস উপায়ে সরকার পরিবর্তনের ডাক দেওয়া বা এ ধরনের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সরকারি চাকরির পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সম্প্রতি এই নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রার্থীদের চরিত্র ও অতীত কর্মকাণ্ড যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে সহিংস উপায়ে রাষ্ট্র বা সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তিনি সরকারি চাকরির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
মূলত সম্প্রতি উত্তর প্রদেশে অনুষ্ঠিত একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকার পরিবর্তনের ডাক দেওয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটেই রাজ্য সরকার এমন কঠোর অবস্থান নিল। এর ফলে নিয়োগের আগে পুলিশি ভেরিফিকেশন বা চারিত্রিক সনদ যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটি আরও কঠোর করা হচ্ছে।
যোগী আদিত্যনাথের সরকার মনে করছে, যারা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় বা সহিংস উপায়ে ক্ষমতা পরিবর্তনের উসকানি দেয়, তাদের সরকারি সেবায় নিয়োজিত করা সমীচীন নয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া নজরদারি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
Reporter Name