বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ জনশক্তিকে কাজে লাগাতে আইএমএফের তাগিদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ Time View

দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বড় সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, এই জনমিতিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব। তবে এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে এই বিশাল জনসংখ্যা নীতিনির্ধারকদের জন্য উল্টো চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আইএমএফের সাম্প্রতিক এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তরুণদের সংখ্যা অনেক বেশি। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারলে এই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে, শুধু দক্ষ জনশক্তি তৈরি করলেই হবে না, তাদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের বিকাশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে বেকারত্ব বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো এই বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী, নীতিনির্ধারকদের উচিত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা, যাতে তরুণদের সৃজনশীলতা ও শ্রমকে জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত করা যায়।

অন্যথায়, বিপুলসংখ্যক তরুণের এই জনমিতিক সুবিধা বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ যদি যথাযথভাবে ব্যবহার করা না যায়, তবে তা সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাড়তি বোঝা হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
30 + = 36


About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশের সুউচ্চ ভবনের বিবর্তন: উচ্চতার পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্মাণশৈলী

দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ জনশক্তিকে কাজে লাগাতে আইএমএফের তাগিদ

Update Time : ০৭:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বড় সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, এই জনমিতিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব। তবে এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে এই বিশাল জনসংখ্যা নীতিনির্ধারকদের জন্য উল্টো চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আইএমএফের সাম্প্রতিক এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তরুণদের সংখ্যা অনেক বেশি। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারলে এই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে, শুধু দক্ষ জনশক্তি তৈরি করলেই হবে না, তাদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের বিকাশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে বেকারত্ব বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো এই বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী, নীতিনির্ধারকদের উচিত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা, যাতে তরুণদের সৃজনশীলতা ও শ্রমকে জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত করা যায়।

অন্যথায়, বিপুলসংখ্যক তরুণের এই জনমিতিক সুবিধা বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ যদি যথাযথভাবে ব্যবহার করা না যায়, তবে তা সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাড়তি বোঝা হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন