বাংলাদেশের স্থাপত্যশৈলীতে গত কয়েক দশকে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে সুউচ্চ ভবনের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তবে কেবল উচ্চতা নয়, বরং নির্মাণের সময়কাল এবং স্থাপত্যের অনন্য বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতেও এসব ভবন এখন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
দেশের স্থাপত্যশিল্পের এই বিবর্তন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক ভবন তাদের নির্মাণশৈলী ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কারণে অনন্য হয়ে উঠেছে। আধুনিক প্রকৌশলবিদ্যার ছোঁয়ায় নির্মিত এসব স্থাপনা দেশের নগরায়ণের নতুন চিত্র তুলে ধরছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ভবন নিয়ে একটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, তালিকায় স্থান পাওয়া সব ভবনই যে দেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার, তা নয়। বরং উচ্চতার পাশাপাশি ভবনগুলোর নির্মাণকাল ও অন্যান্য বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ভবনের গুরুত্ব কেবল তার উচ্চতা দিয়ে বিচার করা যায় না। এর স্থায়িত্ব, নকশা এবং যে সময়ে এটি নির্মিত হয়েছে, সেই সময়ের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এটি কতটা আধুনিক ছিল, তাও বিবেচ্য বিষয়।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবাসন ও বাণিজ্যিক খাতে এই সুউচ্চ ভবনগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। এগুলো একদিকে যেমন ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে আধুনিক নাগরিক জীবনের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
Reporter Name