সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইজারার ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ Time View

সরকারি কোষাগারে ইজারার ১২ লাখ টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগে দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা ইজারার অর্থ সংগ্রহ করলেও তা বিধি মোতাবেক সরকারি তহবিলে জমা দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত দুই কর্মচারীর মধ্যে একজন হলেন মো. নকিব হোসেন শান্ত এবং অন্যজন জাহাঙ্গীর আলম। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে জাহাঙ্গীর আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, অপর অভিযুক্ত মো. নকিব হোসেন শান্ত তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সত্য নয়।

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা জমা না দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর এখন পরবর্তী আইনি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
− 6 = 3


About Author Information

Popular Post

ভারতের সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে ‘কমিউনিস্ট-মাওবাদী-ইসলামপন্থী ষড়যন্ত্র’ বলছে আরএসএস

ইজারার ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

Update Time : ০৮:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি কোষাগারে ইজারার ১২ লাখ টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগে দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা ইজারার অর্থ সংগ্রহ করলেও তা বিধি মোতাবেক সরকারি তহবিলে জমা দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত দুই কর্মচারীর মধ্যে একজন হলেন মো. নকিব হোসেন শান্ত এবং অন্যজন জাহাঙ্গীর আলম। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে জাহাঙ্গীর আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, অপর অভিযুক্ত মো. নকিব হোসেন শান্ত তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সত্য নয়।

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা জমা না দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর এখন পরবর্তী আইনি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো