বর্তমান সময়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাতে পর্যটকদের আর আগের মতো বেগ পেতে হচ্ছে না। ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহজলভ্যতা এই প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি গতিশীল ও সহজতর করে তুলেছে। বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এখন পর্যটন বিকাশে বড় ভূমিকা রাখছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো দর্শনীয় স্থানের ছবি বা ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে পর্যটকরা এখন অনায়াসেই ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ইউটিউবে বিভিন্ন রিসোর্টের রিভিউ বা ভিডিও দেখে পর্যটকরা তাদের পছন্দের গন্তব্য নির্বাচন করছেন। এর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটছে।
প্রযুক্তির কল্যাণে এখন ঘরে বসেই অনলাইন রিভিউ দেখে হোটেল বা রিসোর্ট নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে বাস, ট্রেন কিংবা বিমানের টিকিট বুকিংয়ের প্রক্রিয়াও এখন হাতের মুঠোয়। এই ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে পর্যটকদের সময় ও শ্রম—উভয়ই সাশ্রয় হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় এখন গড়ে উঠছে আধুনিক মানের হোটেল ও রিসোর্ট। পর্যটনকেন্দ্রগুলোর এই বিস্তৃতি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে নতুন এসব গন্তব্যে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদে পড়লে করণীয় কী হবে, তা নিয়ে সচেতনতা জরুরি হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পর্যটন খাতের এই প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সেবা প্রাপ্তির বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সমন্বয় আরও বাড়ানো দরকার।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
Reporter Name