মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আকাশে উড়ল টেসলার গাড়ি, ২০২৮ সালে বাজারে আসার সম্ভাবনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক বিশেষ প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিজেদের নতুন প্রযুক্তির উড়ন্ত গাড়ি দেখিয়েছে টেসলা। গত বৃহস্পতিবার ম্যাকগ্রেগরে স্পেসএক্সের একটি কেন্দ্রে এই সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেখা যায়, টেসলার একটি রোডস্টার গাড়ি চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ শূন্যে উঠে যায় এবং কিছুক্ষণ ভেসে থাকার পর নিরাপদে মাটিতে নেমে আসে।

প্রদর্শনীতে গাড়িটিকে শুধু উড়তেই দেখা যায়নি, বরং মাঝ আকাশে এটি ডিগবাজি খেয়ে নিজের সক্ষমতা জানান দিয়েছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করেছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি ভবিষ্যতে সত্যিই উড়ন্ত গাড়ি থাকার সম্ভাবনার কথা জানান।

২০১৮ সালে জনপ্রিয় পডকাস্টার জো রোগানের এক অনুষ্ঠানে প্রথমবার উড়ন্ত গাড়ি তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। সে সময় বিষয়টি নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করলেও মাস্ক নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে জে লিনোর এক অনুষ্ঠানেও তিনি এই প্রকল্পের ব্যাপারে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন।

টেসলার এই বিশেষ রোডস্টার গাড়িতে স্পেসএক্সের রকেট বা কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যেই গাড়িটি সাধারণ বৈদ্যুতিক সুপারকারের চেয়ে আলাদা হয়ে আকাশে ভেসে থাকতে সক্ষম হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে এই প্রদর্শনী সফল হলেও সাধারণ রাস্তায় এটি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে।

ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ওড়ার সক্ষমতাসম্পন্ন এই রোডস্টার গাড়িটি ২০২৮ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হতে পারে। তবে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাজারে আসা মডেলে রকেট থ্রাস্টার প্রযুক্তিটি শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য এই ধরনের গাড়ি কতটা নিরাপদ এবং বাস্তবসম্মত হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এই প্রদর্শনী মাস্কের দীর্ঘদিনের এক উচ্চাভিলাষী স্বপ্নকে বাস্তবের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
+ 65 = 75


About Author Information

Popular Post

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত: বাড়ছে নিরাপত্তা ও সচেতনতার গুরুত্ব

আকাশে উড়ল টেসলার গাড়ি, ২০২৮ সালে বাজারে আসার সম্ভাবনা

Update Time : ০৮:০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক বিশেষ প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিজেদের নতুন প্রযুক্তির উড়ন্ত গাড়ি দেখিয়েছে টেসলা। গত বৃহস্পতিবার ম্যাকগ্রেগরে স্পেসএক্সের একটি কেন্দ্রে এই সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেখা যায়, টেসলার একটি রোডস্টার গাড়ি চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ শূন্যে উঠে যায় এবং কিছুক্ষণ ভেসে থাকার পর নিরাপদে মাটিতে নেমে আসে।

প্রদর্শনীতে গাড়িটিকে শুধু উড়তেই দেখা যায়নি, বরং মাঝ আকাশে এটি ডিগবাজি খেয়ে নিজের সক্ষমতা জানান দিয়েছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করেছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি ভবিষ্যতে সত্যিই উড়ন্ত গাড়ি থাকার সম্ভাবনার কথা জানান।

২০১৮ সালে জনপ্রিয় পডকাস্টার জো রোগানের এক অনুষ্ঠানে প্রথমবার উড়ন্ত গাড়ি তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। সে সময় বিষয়টি নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করলেও মাস্ক নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে জে লিনোর এক অনুষ্ঠানেও তিনি এই প্রকল্পের ব্যাপারে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন।

টেসলার এই বিশেষ রোডস্টার গাড়িতে স্পেসএক্সের রকেট বা কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যেই গাড়িটি সাধারণ বৈদ্যুতিক সুপারকারের চেয়ে আলাদা হয়ে আকাশে ভেসে থাকতে সক্ষম হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে এই প্রদর্শনী সফল হলেও সাধারণ রাস্তায় এটি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে।

ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ওড়ার সক্ষমতাসম্পন্ন এই রোডস্টার গাড়িটি ২০২৮ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হতে পারে। তবে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাজারে আসা মডেলে রকেট থ্রাস্টার প্রযুক্তিটি শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য এই ধরনের গাড়ি কতটা নিরাপদ এবং বাস্তবসম্মত হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এই প্রদর্শনী মাস্কের দীর্ঘদিনের এক উচ্চাভিলাষী স্বপ্নকে বাস্তবের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো