বিশ্বজুড়ে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চিরাচরিত ভূমিকা বদলে যাচ্ছে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে এখন উদ্যোক্তা-নির্ভর কর্মসংস্থান ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন, রোবটিকস, বায়োটেকনোলজি, ফিনটেক ও গ্রিন টেকনোলজির মতো আধুনিক প্রযুক্তিগুলো বিশ্ব অর্থনীতির প্রচলিত কাঠামোকে আমূল বদলে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সংগতি রেখে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুনভাবে সাজানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল ডিগ্রি প্রদানের মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগ ঘটাতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি এবং নতুন নতুন স্টার্টআপ শুরুর পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে তা জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে উদ্ভাবন ও গবেষণাকে সরাসরি বাজারের চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ইনোভেটিভ স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা সম্ভব হলে তা একদিকে যেমন বেকারত্ব দূর করবে, অন্যদিকে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ইনকিউবেশন সেন্টার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির বিষয়টিও এখন আলোচনায় আসছে। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
Reporter Name