শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ মাসে ৩২ কূপ খনন: জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ Time View

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত সাত মাসে মোট ৩২টি গ্যাস কূপ খননের কাজ শেষ হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক অতিরিক্ত প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সাত মাসে এই ৩২টি কূপ খনন করা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে মোট ১৫০টি নতুন গ্যাস কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খনন করার লক্ষ্য রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিপুল সংখ্যক কূপ খনন সম্পন্ন হলে দেশের শিল্প-কারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট অনেকাংশে দূর হবে। একই সঙ্গে এটি জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
+ 57 = 66


About Author Information

Popular Post

ঝিনাইদহে জাপানি ফল পার্সিমন চাষে সফল কৃষি উদ্যোক্তা স্বপন

৭ মাসে ৩২ কূপ খনন: জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

Update Time : ০৭:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত সাত মাসে মোট ৩২টি গ্যাস কূপ খননের কাজ শেষ হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক অতিরিক্ত প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সাত মাসে এই ৩২টি কূপ খনন করা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে মোট ১৫০টি নতুন গ্যাস কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খনন করার লক্ষ্য রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিপুল সংখ্যক কূপ খনন সম্পন্ন হলে দেশের শিল্প-কারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট অনেকাংশে দূর হবে। একই সঙ্গে এটি জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক