২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণের সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। কোনো বিলম্ব ফি ছাড়াই শিক্ষার্থীরা এই সময়ের মধ্যে ফরম পূরণ ও ফি জমা দিতে পারবেন।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েও যারা জিপিএ-৫-এর কম পেয়েছেন, তারা মানোন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকতে হবে এবং ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মানোন্নয়ন পরীক্ষায় ফলাফল উন্নত হলে তা গ্রহণ করা হবে, অন্যথায় আগের ফলাফলই বহাল থাকবে।
অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছে বোর্ড। যারা ২০২৫ বা ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তারা ২০২৭ সালে অনিয়মিত হিসেবে পরীক্ষা দিতে পারবে। এ ছাড়া ২০২৬ সালের পরীক্ষায় এক থেকে চারটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীরাও রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। তবে আংশিক বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা চতুর্থ বিষয়ের সুবিধা পাবে না।
বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে বলা হয়েছে, যাদের শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ আছে, তারা ২০২৭ সালের পরীক্ষায় অনিয়মিত হিসেবে অংশ নিতে পারবে। তবে তাদের সব বিষয়েই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
সিলেবাসের বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পরীক্ষা দেবে। তবে অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ ও ২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নে পরীক্ষায় বসতে হবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়গুলোর নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।
নির্বাচনী বা টেস্ট পরীক্ষার বিষয়ে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মানোন্নয়ন ও আগে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ছাড়া বাকি সব নিয়মিত ও অনিয়মিত শিক্ষার্থীর জন্য এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিশেষ বিবেচনায় ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুযোগ রাখা হয়েছে। যাদের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ শেষ কিন্তু চতুর্থ বিষয় বাদে মাত্র একটি বিষয়ে অকৃতকার্য, তারা এক বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন নবায়ন করে ২০২৭ সালের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড জমা দিয়ে নতুন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
Reporter Name