বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসির বিদায়ে আবেগাপ্লুত এনজো ফার্নান্দেজ, স্মৃতিতে ভাসছে সেই কিশোরবেলার চিঠি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ Time View

আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের ক্ষণে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের পর সমর্থকদের উদ্দেশে মেসির দেওয়া বিদায়ী বক্তব্যে সতীর্থদের চোখেও জল দেখা যায়। তবে প্রিয় অধিনায়কের বিদায়ে সবচেয়ে বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ।

ম্যাচ শেষে মেসির বক্তব্যের সময় অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় এনজোকে। প্রিয় অধিনায়কের বিদায়ে তাঁর এই কান্নার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুটবলপ্রেমীদের স্পর্শ করে। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসকে এনজো বলেন, দিনটি ছিল অত্যন্ত আবেগের। অনেক ধরনের অনুভূতি একসঙ্গে কাজ করছিল। আমরা তাঁকে খুব মিস করব।

মেসির প্রতি এনজোর এই ভালোবাসা দীর্ঘদিনের। ২০১৬ সালে মেসি যখন একবার অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাঁকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়ে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছিলেন এনজো। সে সময় তাঁর স্বপ্ন ছিল অন্তত একবারের জন্য হলেও জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির সঙ্গে মাঠে নামা।

পরবর্তীতে এনজোর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তিনি শুধু মেসির সঙ্গে খেলেননি, একই ড্রেসিংরুম ভাগ করেছেন এবং কাতার বিশ্বকাপে একসঙ্গে শিরোপাও জিতেছেন। বিদায়বেলায় সেই স্মৃতিগুলোই যেন বারবার ফিরে আসছিল এই মিডফিল্ডারের মনে।

গত ৩১ আগস্ট মেসি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর আবারও একটি চিঠি লিখেছিলেন এনজো। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ১০ নম্বর জার্সিতে মেসিকে ছাড়া জাতীয় দলের ক্যাম্প কল্পনা করা তাঁর জন্য অসম্ভব। দলে আসার পর থেকে মেসি যেভাবে তাঁকে আগলে রেখেছেন, সে জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

মেসির এই বিদায়ী রাতে আর্জেন্টিনার আরেক অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিরও শেষ ম্যাচ ছিল। সব মিলিয়ে এক ঐতিহাসিক ও বিষাদময় রাতের সাক্ষী হলো আর্জেন্টিনার ফুটবল ভক্তরা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
− 3 = 5


About Author Information

Popular Post

সচল হয়েছে কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্ক, ৩০ ব্যাংকের গ্রাহকদের লেনদেন স্বাভাবিক

মেসির বিদায়ে আবেগাপ্লুত এনজো ফার্নান্দেজ, স্মৃতিতে ভাসছে সেই কিশোরবেলার চিঠি

Update Time : ০৮:০২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের ক্ষণে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের পর সমর্থকদের উদ্দেশে মেসির দেওয়া বিদায়ী বক্তব্যে সতীর্থদের চোখেও জল দেখা যায়। তবে প্রিয় অধিনায়কের বিদায়ে সবচেয়ে বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ।

ম্যাচ শেষে মেসির বক্তব্যের সময় অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় এনজোকে। প্রিয় অধিনায়কের বিদায়ে তাঁর এই কান্নার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুটবলপ্রেমীদের স্পর্শ করে। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসকে এনজো বলেন, দিনটি ছিল অত্যন্ত আবেগের। অনেক ধরনের অনুভূতি একসঙ্গে কাজ করছিল। আমরা তাঁকে খুব মিস করব।

মেসির প্রতি এনজোর এই ভালোবাসা দীর্ঘদিনের। ২০১৬ সালে মেসি যখন একবার অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাঁকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়ে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছিলেন এনজো। সে সময় তাঁর স্বপ্ন ছিল অন্তত একবারের জন্য হলেও জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির সঙ্গে মাঠে নামা।

পরবর্তীতে এনজোর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তিনি শুধু মেসির সঙ্গে খেলেননি, একই ড্রেসিংরুম ভাগ করেছেন এবং কাতার বিশ্বকাপে একসঙ্গে শিরোপাও জিতেছেন। বিদায়বেলায় সেই স্মৃতিগুলোই যেন বারবার ফিরে আসছিল এই মিডফিল্ডারের মনে।

গত ৩১ আগস্ট মেসি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর আবারও একটি চিঠি লিখেছিলেন এনজো। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ১০ নম্বর জার্সিতে মেসিকে ছাড়া জাতীয় দলের ক্যাম্প কল্পনা করা তাঁর জন্য অসম্ভব। দলে আসার পর থেকে মেসি যেভাবে তাঁকে আগলে রেখেছেন, সে জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

মেসির এই বিদায়ী রাতে আর্জেন্টিনার আরেক অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিরও শেষ ম্যাচ ছিল। সব মিলিয়ে এক ঐতিহাসিক ও বিষাদময় রাতের সাক্ষী হলো আর্জেন্টিনার ফুটবল ভক্তরা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো