বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাহাড়ঘেরা শেরপুরের বারোমারি চার্চ: প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিকতার অনন্য মিলনস্থল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ Time View

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় গারো পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বারোমারি চার্চ। সবুজ পাহাড় আর শান্ত পরিবেশের এই স্থানটি একদিকে যেমন ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে, অন্যদিকে পর্যটকদের কাছেও এটি এক আকর্ষণীয় গন্তব্য।

চার্চটি মূলত খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। তবে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নিরিবিলি পরিবেশ সব ধর্মের মানুষের কাছেই প্রশান্তির ছোঁয়া পৌঁছে দেয়। শহরের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

স্থানীয় গারো পাহাড়ের সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন দেখা যায় এখানে। পাহাড়ের ঢালে সবুজের সমারোহ আর প্রার্থনার স্নিগ্ধ আবহ পর্যটকদের বিশেষভাবে টানে। যারা প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান।

ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই তীর্থস্থানটি এখন কেবল ধর্মীয় গন্তব্য নয়, বরং একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে। পাহাড়ঘেরা এই পরিবেশে প্রকৃতির রূপ উপভোগ করার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পান দর্শনার্থীরা।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
6 + 2 =


About Author Information

Popular Post

বিশ্বম্ভরপুরে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা রাজু আহমেদ

পাহাড়ঘেরা শেরপুরের বারোমারি চার্চ: প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিকতার অনন্য মিলনস্থল

Update Time : ০৮:০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় গারো পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বারোমারি চার্চ। সবুজ পাহাড় আর শান্ত পরিবেশের এই স্থানটি একদিকে যেমন ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে, অন্যদিকে পর্যটকদের কাছেও এটি এক আকর্ষণীয় গন্তব্য।

চার্চটি মূলত খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। তবে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নিরিবিলি পরিবেশ সব ধর্মের মানুষের কাছেই প্রশান্তির ছোঁয়া পৌঁছে দেয়। শহরের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

স্থানীয় গারো পাহাড়ের সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন দেখা যায় এখানে। পাহাড়ের ঢালে সবুজের সমারোহ আর প্রার্থনার স্নিগ্ধ আবহ পর্যটকদের বিশেষভাবে টানে। যারা প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান।

ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই তীর্থস্থানটি এখন কেবল ধর্মীয় গন্তব্য নয়, বরং একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে। পাহাড়ঘেরা এই পরিবেশে প্রকৃতির রূপ উপভোগ করার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পান দর্শনার্থীরা।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন