মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। গত সাত মাসে জ্বালানি তেল ও সার আমদানিতে নির্ধারিত বাজেটের চেয়ে অতিরিক্ত প্রায় ৫০ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়েছে সরকারকে। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত সাত মাসে এই দুটি জরুরি পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ৪১২ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তবে প্রতি মাসে জ্বালানি ও সার আমদানিতে বাংলাদেশের বাড়তি ব্যয়ের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতি মাসে অতিরিক্ত প্রায় ৬০ কোটি ডলার বা ৭ হাজার ৩২০ কোটি টাকা বেশি খরচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি ও বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলানো বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আর্থিক সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে বাংলাদেশ।
মূলত যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়া এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি ও সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক আমদানি ব্যয়ের ওপর।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
Reporter Name