রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করতোয়া নদীর তীরে জমে উঠেছে কলার হাট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ Time View

বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে চেলোপাড়া রেলওয়ে সেতু ও শাহ ফতেহ আলী সেতুর মধ্যবর্তী স্থানে প্রতিদিন ভোরে বসে কলার হাট। নদীর ধারের একচিলতে খেলার মাঠে গড়ে ওঠা এই অস্থায়ী হাটটি স্থানীয়দের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হয়ে সকাল ৯টা পর্যন্ত চলে এই হাটের বেচাকেনা। এখানে মূলত অনুপম, চাঁপা, সাগর ও শবরিসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের কলার সমাগম ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, মানভেদে এসব কলার চাহিদাও থাকে ব্যাপক।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোরের আলো ফোটার আগেই আশপাশের গ্রাম থেকে কৃষকেরা ব্যাগে করে কিংবা রিকশা-ভ্যানে করে কলা নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। সারি সারি ডালাভরা অনুপম কলার দৃশ্য হাটে আগতদের নজর কাড়ে।

হাটে বেচাকেনার পদ্ধতিতে রয়েছে ভিন্নতা। অনেক ক্ষেত্রে কলার ওপর বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে হিসাব রাখা হয়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদাম শেষে চলে টাকা লেনদেন। কেউ কাঁধে করে আবার কেউ ভ্যানে করে কেনা কলা গন্তব্যে নিয়ে যান।

সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হাটের ব্যস্ততা বাড়তে থাকে। তবে বেলা ৯টা বাজার আগেই বেচাকেনা শেষ করে বিক্রেতারা তাদের ডালা গুছিয়ে বাড়ির পথ ধরেন। প্রতিদিনের এই কর্মব্যস্ততায় মুখর থাকে করতোয়া পাড়ের এই ছোট্ট প্রাঙ্গণ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information


Math Captcha
6 + 3 =


About Author Information

Popular Post

খাবারের স্বাদ বাড়াতে পারে পছন্দের গান, গবেষণায় মিলল বৈজ্ঞানিক প্রমাণ

করতোয়া নদীর তীরে জমে উঠেছে কলার হাট

Update Time : ০৭:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে চেলোপাড়া রেলওয়ে সেতু ও শাহ ফতেহ আলী সেতুর মধ্যবর্তী স্থানে প্রতিদিন ভোরে বসে কলার হাট। নদীর ধারের একচিলতে খেলার মাঠে গড়ে ওঠা এই অস্থায়ী হাটটি স্থানীয়দের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হয়ে সকাল ৯টা পর্যন্ত চলে এই হাটের বেচাকেনা। এখানে মূলত অনুপম, চাঁপা, সাগর ও শবরিসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের কলার সমাগম ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, মানভেদে এসব কলার চাহিদাও থাকে ব্যাপক।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোরের আলো ফোটার আগেই আশপাশের গ্রাম থেকে কৃষকেরা ব্যাগে করে কিংবা রিকশা-ভ্যানে করে কলা নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। সারি সারি ডালাভরা অনুপম কলার দৃশ্য হাটে আগতদের নজর কাড়ে।

হাটে বেচাকেনার পদ্ধতিতে রয়েছে ভিন্নতা। অনেক ক্ষেত্রে কলার ওপর বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে হিসাব রাখা হয়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদাম শেষে চলে টাকা লেনদেন। কেউ কাঁধে করে আবার কেউ ভ্যানে করে কেনা কলা গন্তব্যে নিয়ে যান।

সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হাটের ব্যস্ততা বাড়তে থাকে। তবে বেলা ৯টা বাজার আগেই বেচাকেনা শেষ করে বিক্রেতারা তাদের ডালা গুছিয়ে বাড়ির পথ ধরেন। প্রতিদিনের এই কর্মব্যস্ততায় মুখর থাকে করতোয়া পাড়ের এই ছোট্ট প্রাঙ্গণ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো