বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০৬০ সালের মধ্যে তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ডেটা সেন্টারের প্রসারের ফলে এই খাতের ব্যাপক বিস্তারের সম্ভাবনা দেখছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
শুক্রবার আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এই পূর্বাভাস দেন। তিনি জানান, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ভরযোগ্য এবং কার্বনমুক্ত জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদাই পারমাণবিক বিদ্যুতের এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
রাফায়েল গ্রোসি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিদ্যুতের যে চাহিদা তৈরি হচ্ছে, তা মেটাতে পারমাণবিক শক্তির গুরুত্ব বাড়ছে। বিশেষ করে বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশবান্ধব ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ খুঁজছে, যা পারমাণবিক শক্তির প্রসারে ভূমিকা রাখছে।
আইএইএ-এর এই প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ফলে ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠান এখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দিকে ঝুঁকছে।
সংস্থাটির মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পারমাণবিক বিদ্যুৎ একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে আগামী কয়েক দশকে এই খাতের সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক
Reporter Name