নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও প্রকৃতির অকৃত্রিম রূপ আর মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্পগুলো বারবার ফিরে আসে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ পাঠকদের পাঠানো ছবিতে উঠে এসেছে গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্য থেকে শুরু করে শতবর্ষী ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দেখা গেছে এক শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশ। সেখানে সবুজ ধানখেতের পাশে ছোট জলাশয়ে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয়রা। একই ধরনের গ্রামীণ আবহ ফুটে উঠেছে রংপুরের পীরগাছাতেও, যেখানে ধানখেত আর ছোট জলাশয় মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার ধামাইকান্দিতে দেখা মিলেছে এক বিশাল শতবর্ষী বটগাছের। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এই গাছটি ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে গাছটির গোড়ার চারপাশ একটি রিসোর্টের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশাল এই গাছের ছায়াতলে অন্তত পাঁচ শতাধিক দর্শক অনায়াসে বসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন।
রাজধানীর উপকণ্ঠ আশুলিয়ার জিরাবো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও ক্যামেরাবন্দি হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে জমে থাকা সময়ের চিহ্ন আর স্থাপত্যের নান্দনিকতা যেন সচেতনতা ও মূল্যবোধের এক নীরব আয়না হিসেবে ধরা দিয়েছে। এছাড়া কাপ্তাই লেকের বিকেলের স্নিগ্ধতা ও প্রকৃতির নির্মলতা পর্যটকদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ফুটে উঠেছে।
দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানসিতেও ধরা পড়েছে পুণ্যার্থীদের ব্যস্ততা। গত ২১ অক্টোবর কাশীর গঙ্গায় পুণ্যার্থীদের ভ্রমণের জন্য ‘গঙ্গোত্রী কাশী’ নামক বিশাল প্রমোদতরি দেখা গেছে। গঙ্গার শান্ত ঢেউ আর ঐতিহ্যের মিশেলে এই নৌভ্রমণ ভক্ত ও পর্যটকদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
Reporter Name