শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
অপহরন ও ধর্ষন মামলায় ধর্ষকের ৪৬ বছরের কারাদন্ড গাইবান্ধায় মাদক মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড, হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুবিধা নিতে হলে শরীরচর্চার বিকল্প নেই – ডেপুটি স্পীকার গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল নারীদের ক্রীড়া ও ঐতিহ্যবাহী তীর ছোড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক উৎসব গাইবান্ধা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ সাদুল্লাপুরে ব্যবসায়ী জ্যোতিশ চন্দ্র রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ কুড়িগ্রামে মহিষের গাড়ীতে বিয়ে আত্রাইয়ের মনিয়ারী ইউনিয়ন আ”লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ি আটক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

জাতীয় চার নেতার আত্মার শান্তি কামনায় মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৫৬ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০২২, ৬:৪১ অপরাহ্ন

জাতির পিতার অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মোঃ শামসুল হক টুকুর নির্ধারিত বাসভবনে আজ মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনি, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ, সংসদ সদস্য মোঃ মকবুল হোসেন, মোঃ আক্তারুজ্জামান, নুরুজ্জামান বিশ্বাস, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন ও নাদিরা ইয়াসমিন জলি মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

মিলাদে জাতীয় চার নেতার অবদানকে স্মরণ করে ডেপুটি স্পীকার মোঃ শামসুল হক টুকু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় এই চার নেতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের অসাধারণ নেতৃত্ব না থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে হয়ত আরও দীর্ঘ সময় যুদ্ধ করতে হত, আরও অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জীবন ও ইজ্জত দিতে হতে।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতাকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যার মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদারের বংশধররা প্রমাণ করে যে এই হত্যাকাণ্ড আসলে কোন পরিবারের বিরুদ্ধে নয়, এটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। এরা আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি। জাতির পিতাকে ভালোবেসে ও জাতির জন্য তারা তাঁদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন।  জাতীয় চার নেতার এই আত্মত্যাগকে সবসময় স্মরণে রেখে তাঁদের জন্য শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও দোয়া করা আমাদের কর্তব্য।

দোয়া মাহফিলে ডেপুটি স্পীকারের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর