সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাল পরামর্শের অভাবে মামলা বাড়ছে-বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিন খান

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান বলেছেন, ভাল পরামর্শের অভাবে মামলা বাড়ছে। দিনের পর দিন আদালতের বারান্দায় ঘোরাঘুরি শেষ পযন্ত কিছুই প্রমাণ করতে পারেন না। তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, সরকারিভাবে আইনগত যে সহায়তা পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা কম। এ ছাড়া বিনা খরচে বিনা পয়সায় যে আইনি সহায়তা পাওয়া যায়, এবিষয়ে সুবিধাভোগিদের ধারণা, এখানে খুব উচুমানের আইনজীবিরা কাজ করেন না, যেসব আইনজীবিদের কাজ কম, তারাই এখানে কাজ করেন বলে মানুষের মধ্যে এখনও এমন ধারণা থাকতে পারে।

এ ক্ষেত্রে তিনি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যদের দৃষ্টি আকষন করে বলেন, আইনজীবি সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ভাল ভাল আইনজীবিরা যাতে এ কার্যক্রমে প্যানেলভুক্ত থাকেন এবং তারা মাসে একটা-দুইটা করে আইনগত সহায়তার কেসগুলো করেন। তাহলে যারা সুবিধাবঞ্চিত তাদের মধ্যে আস্তা আসবে যে, সরকার যে বিনা খরচে আমাদের আইনগত সহায়তা দিচ্ছে। তারা জানবে এখানে ভাল আইনজীবি আছে।

এ ছাড়া খারাপ লোকের পরামর্শে নারীদের পারিবারিক সমস্যাগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল কোর্টে চলে যায়। ফলে শতকরা ৯০ ভাগ মামলা থেকে আসামিরা খালাস পায়। এর কারণ হিসেবে দেখা যায়, অনেকে মামলা করতে চান না, সমস্যার সমাধান চান। কিন্তু ভাল আইনজীবির পরামর্শের অভাবে একটা মামলায় হয়ে যায়। তারপর দিনের পর দিন আদালতের বারান্দায় ঘোরাঘুরি এবং শেষ পযন্ত কিছুই প্রমাণ করতে পারেন না। তাদের তথ্য জানার অভাব আছে।

তাই আমি অনুরোধ করবো, এ ধরণের ঘটনায় কেউ আদালতে আসলে তাদেরকে লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে পাঠাবেন এবং এসব তথ্যের বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে কিভাবে পৌছানো যায়, এজন্য লিগ্যাল এইড কমিটিকেও সচেতনতামুলক কাজ বাড়াতে হবে। আমার ধারণা, ভাল পরামর্শ পেলে অনেকেই আর কোর্টে যাবে না। কারণ আমাদের অধিক জনসংখ্যার একটা দেশ, এখানে এমনিতে আমরা মামলায় জর্জরিত। তারমধ্যে যেসব মামলা যাবার প্রয়োজন নেই কোর্টে, সেগুলোও যদি নিয়ে যায়, তাহলে কোন মামলায় খুব সহজে আমরা বিচার পাচ্ছি না, অনেকদিন সময় লাগছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্ক চত্বরে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি আয়োজিত সভায় সভাপতি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, গাইবান্ধা-এর মাননীয় চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ জনাব মোঃ আবুল মনসুর মিঞা। অনুষ্ঠানের সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে সকল শ্রেণীর মানুষের আইনি সেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, যে উদ্দেশ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ প্রণয়ন করেন, তার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন এবং এখন কেউ অর্থাভাবে বা আর্থিকভাবে অসচ্ছলতার কারণে আইনগত অধিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না যা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে আবশ্যক। অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা যদি না করা যায়, তাহলে সমাজে উন্নতি লাভ করতে পারবে না। আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করবো, যাতে কোন মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত না হন। তিনি লিগ্যাল এইড কমিটির চেতনতামুলক কাজ বাড়ানো হবে বলেও জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা লিগ্যাল এইড অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ে জনগণকে অবহিত করেন এবং সকলকে তাদের আইনি অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট হতে উৎসাহিত করেন। লিগ্যাল এইড অফিসার জনাব মাসুমা খানম যুথি অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। গাইবান্ধা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাভোগীদের মধ্য হতে দুইজন আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের প্রতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন, গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুনতাসির আহমেদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উপেন্দ্র চন্দ্র দাস, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অর্থ ও প্রশাসন) ইবনে মিজান, গাইবান্ধা জেলা বার এসোসিয়েশন-এর সভাপতি জনাব ফারুক আহমেদ (প্রিন্স), গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র জনাব মোঃ মতলুবর রহমান,  জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা মাসুমা খানম প্রমুখ।

এ ছাড়া লিগ্যাল এইড অফিসের কর্মপরিধি ও এর মাধ্যমে প্রাপ্য বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয়ে সাধারণ জনগণকে অবগত করানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।  উক্ত কর্মসূচির মধ্যে বেলুন ও কবুতর উড়ানো, বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লিগ্যাল এইড মেলা, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, গণস্বাক্ষর অভিযান, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, মাইকিং ও প্রোজেক্টরে বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে জনগণকে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের কার্যক্রম বিষয়ে অবগত করানো উল্লেখযোগ্য। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ বছর জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়, “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ বিনামূল্যে আইনি সেবার দ্বার উন্মোচন”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md Zannatul Ferdoush Jewel

Online News Portal

ভাল পরামর্শের অভাবে মামলা বাড়ছে-বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিন খান

Update Time : ১০:০০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান বলেছেন, ভাল পরামর্শের অভাবে মামলা বাড়ছে। দিনের পর দিন আদালতের বারান্দায় ঘোরাঘুরি শেষ পযন্ত কিছুই প্রমাণ করতে পারেন না। তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, সরকারিভাবে আইনগত যে সহায়তা পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা কম। এ ছাড়া বিনা খরচে বিনা পয়সায় যে আইনি সহায়তা পাওয়া যায়, এবিষয়ে সুবিধাভোগিদের ধারণা, এখানে খুব উচুমানের আইনজীবিরা কাজ করেন না, যেসব আইনজীবিদের কাজ কম, তারাই এখানে কাজ করেন বলে মানুষের মধ্যে এখনও এমন ধারণা থাকতে পারে।

এ ক্ষেত্রে তিনি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যদের দৃষ্টি আকষন করে বলেন, আইনজীবি সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ভাল ভাল আইনজীবিরা যাতে এ কার্যক্রমে প্যানেলভুক্ত থাকেন এবং তারা মাসে একটা-দুইটা করে আইনগত সহায়তার কেসগুলো করেন। তাহলে যারা সুবিধাবঞ্চিত তাদের মধ্যে আস্তা আসবে যে, সরকার যে বিনা খরচে আমাদের আইনগত সহায়তা দিচ্ছে। তারা জানবে এখানে ভাল আইনজীবি আছে।

এ ছাড়া খারাপ লোকের পরামর্শে নারীদের পারিবারিক সমস্যাগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল কোর্টে চলে যায়। ফলে শতকরা ৯০ ভাগ মামলা থেকে আসামিরা খালাস পায়। এর কারণ হিসেবে দেখা যায়, অনেকে মামলা করতে চান না, সমস্যার সমাধান চান। কিন্তু ভাল আইনজীবির পরামর্শের অভাবে একটা মামলায় হয়ে যায়। তারপর দিনের পর দিন আদালতের বারান্দায় ঘোরাঘুরি এবং শেষ পযন্ত কিছুই প্রমাণ করতে পারেন না। তাদের তথ্য জানার অভাব আছে।

তাই আমি অনুরোধ করবো, এ ধরণের ঘটনায় কেউ আদালতে আসলে তাদেরকে লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে পাঠাবেন এবং এসব তথ্যের বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে কিভাবে পৌছানো যায়, এজন্য লিগ্যাল এইড কমিটিকেও সচেতনতামুলক কাজ বাড়াতে হবে। আমার ধারণা, ভাল পরামর্শ পেলে অনেকেই আর কোর্টে যাবে না। কারণ আমাদের অধিক জনসংখ্যার একটা দেশ, এখানে এমনিতে আমরা মামলায় জর্জরিত। তারমধ্যে যেসব মামলা যাবার প্রয়োজন নেই কোর্টে, সেগুলোও যদি নিয়ে যায়, তাহলে কোন মামলায় খুব সহজে আমরা বিচার পাচ্ছি না, অনেকদিন সময় লাগছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্ক চত্বরে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি আয়োজিত সভায় সভাপতি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, গাইবান্ধা-এর মাননীয় চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ জনাব মোঃ আবুল মনসুর মিঞা। অনুষ্ঠানের সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে সকল শ্রেণীর মানুষের আইনি সেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, যে উদ্দেশ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ প্রণয়ন করেন, তার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন এবং এখন কেউ অর্থাভাবে বা আর্থিকভাবে অসচ্ছলতার কারণে আইনগত অধিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না যা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে আবশ্যক। অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা যদি না করা যায়, তাহলে সমাজে উন্নতি লাভ করতে পারবে না। আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করবো, যাতে কোন মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত না হন। তিনি লিগ্যাল এইড কমিটির চেতনতামুলক কাজ বাড়ানো হবে বলেও জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা লিগ্যাল এইড অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ে জনগণকে অবহিত করেন এবং সকলকে তাদের আইনি অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট হতে উৎসাহিত করেন। লিগ্যাল এইড অফিসার জনাব মাসুমা খানম যুথি অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। গাইবান্ধা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাভোগীদের মধ্য হতে দুইজন আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের প্রতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন, গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুনতাসির আহমেদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উপেন্দ্র চন্দ্র দাস, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অর্থ ও প্রশাসন) ইবনে মিজান, গাইবান্ধা জেলা বার এসোসিয়েশন-এর সভাপতি জনাব ফারুক আহমেদ (প্রিন্স), গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র জনাব মোঃ মতলুবর রহমান,  জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা মাসুমা খানম প্রমুখ।

এ ছাড়া লিগ্যাল এইড অফিসের কর্মপরিধি ও এর মাধ্যমে প্রাপ্য বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয়ে সাধারণ জনগণকে অবগত করানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।  উক্ত কর্মসূচির মধ্যে বেলুন ও কবুতর উড়ানো, বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লিগ্যাল এইড মেলা, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, গণস্বাক্ষর অভিযান, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, মাইকিং ও প্রোজেক্টরে বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে জনগণকে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের কার্যক্রম বিষয়ে অবগত করানো উল্লেখযোগ্য। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ বছর জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়, “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ বিনামূল্যে আইনি সেবার দ্বার উন্মোচন”