রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
গাইবান্ধায় জেলা পরিষদ চত্বরে নতুন মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা গাইবান্ধায় ১ হাজার ১৭ ভুমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর শিক্ষার মান উন্নয়নে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছে সরকার : ডা. শিমুল এমপি জলবায়ু গণ শুনানি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন ড. আইনুন নিশাত রৌমারীতে ঘর পেয়ে মহাখুশি ভূমিহীন পরিবার গাইবান্ধায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাইকেল চালিয়ে ৪ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় তরুণী পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল গাইবান্ধা জেলা পুলিশ গাইবান্ধায় দুর্বল নারীদের সুবিধা কার্ড বিতরণ

মুলাদী উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৬৩ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১, ১১:৫০ অপরাহ্ন

বরিশাল  প্রতিনিধি: মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে শনিবার সবুজ খান নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হামলায় গুরুতর আহত তিনজনকে প্রথমে বরিশাল শেবাচিমে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এরআগে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের রাঘুয়া কাজিরচর এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মন্নান ফকিরের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। থানায় চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ করায় একই এলাকার সবুজ খানের ছেলে রাব্বী খানের নেতৃত্বে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের আহত সদস্যরা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মন্নান ফকির জানান, শুক্রবার তার ছেলে আল মিরাজ সজিব এলাকার মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাব্বী খান ও তার সহযোগীরা পথরোধ করে টাকা দাবি করে। আল মিরাজ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে মারধর করে রাব্বী খান।ওই ঘটনায় মন্নান শুক্রবার বিকালে মুলাদী থানায় রাব্বী খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। এতে ক্ষিপ্ত হন রাব্বী খান ও তার সহযোগীরা।

আ. মন্নান ফকির আরও জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হামলাকারী রাব্বী খান, তার পিতা সবুজ খান, সহযোগী ইমরান খান, নজরুলসহ ৫-৭জন রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়।

হামলাকারীরা ইমরান ফকির, আল মিরাজ, জসিম ফকির, শাহাবুদ্দিন ফকির, আলমতাজ বেগমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আহতদের ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এদের মধ্যে আলমতাজ বেগম, ইমরান ও আল মিরাজের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হলে রাতেই তাদের ঢাকায় জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা।

ঘটনার পর থেকে রাব্বী খান ও তার সহযোগীরা পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মুলাদী থানার ওসি এস.এম মাকসুদুর রহমান জানান, হামলায় ঘটনায় মামলা হয়েছে।একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


এ জাতীয় আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর