আজ ১৩ আশ্বিন, ১৪২৮, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

গাইবান্ধায় কাভার্ড ভ্যান-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও নারীসহ ৪ নিহত, আহত ৩

পলাশবাড়ি প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক ও নারীসহ চার জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন শিশুসহ আরও ৩ জন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পলাশবাড়ী উপজেলা শহরের উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় (পেট্রোল পাম্পের সামনে) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া(৩২), ঠাকুরগাও জেলার বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার বিশ্রামপুর গ্রামের জাহেরুল ইসলামের ছেলে আব্দুল খালেক(২৮) ও তার স্ত্রী বগুড়া জেলার সোনাতোলা উপজেলার শিহিপুর গ্রামের হেলাল প্রামানিকের মেয়ে ঋতি খাতুন(২০) এবং একই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর মধ্যপাড়া গ্রামের বাবু প্রামানিকের মেয়ে শাম্মি আক্তার(২৮)। এছাড়া আহত সিএনজির তিন যাত্রীর মধ্যে শুভ(৭) নামের একটি শিশু রয়েছে। শিশুটি নিহত শাম্মি আকতারের সন্তান। আহত সিএনজি’র দুই যাত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের পরিচয় জানা যায় নাই।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকসহ ছয়জন যাত্রি নিয়ে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি পলাশবাড়ী উপজেলা শহরের উত্তর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছিলে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা বগুড়া গামী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সিএনজিটির ক্ষতিগ্রস্ত হলে ট্রাকটি পালিয়ে যায়। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি চালিত অটোটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বগুড়া থেকে রংপুরগামী একটি কাভার্ড ভ্যান অপর একটি ট্রাককে অভারটেক করার সময় সিএনজি চালিত অটোটিকে পিছন থেকে চাপা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলে এক নারী ও সিএনজি চালকসহ তিনজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন সিএনজি যাত্রীসহ মোট চারজন নিহত হয়। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। হাইওয়ে থানার পুলিশ কাভার্ডভ্যানটি আটক করেছে। তবে চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছে। হাইওয়ে থানার পুলিশের পক্ষ থেকে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, দুর্ঘটনার পর পরেই ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করাসহ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর