রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুবিধা নিতে হলে শরীরচর্চার বিকল্প নেই – ডেপুটি স্পীকার গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল নারীদের ক্রীড়া ও ঐতিহ্যবাহী তীর ছোড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক উৎসব গাইবান্ধা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ সাদুল্লাপুরে ব্যবসায়ী জ্যোতিশ চন্দ্র রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ কুড়িগ্রামে মহিষের গাড়ীতে বিয়ে আত্রাইয়ের মনিয়ারী ইউনিয়ন আ”লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ি আটক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির বিশেষ সভা গাইবান্ধার তুলশিঘাটে বাস চাপায় নানি-নাতনি নিহত

কলাগাছের আঁশ দিয়ে শপিং ব্যাগসহ উন্নতমানের ব্যবহার্য সামগ্রী তৈরি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯৬ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: বুধবার, ৫ মে, ২০২১, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
কলাগাছের আঁশ থেকে সুতা, শপিং ব্যাগসহ নানা উন্নতমানের ব্যবহার্য সামগ্রী তৈরির জন্য আঁশ শুকানো হচ্ছে

খোঁজ খবর রিপোর্ট: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউপির গোপালপুর গ্রামে কলাগাছের আঁশ থেকে সুতা, শপিং ব্যাগসহ নানা উন্নতমানের ব্যবহার্য সামগ্রী তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ওই এলাকার কৃষক বায়েছ উদ্দিনের ছেলে মোজাম উদ্দিন।
পরিত্যক্ত কলাগাছের আঁশ থেকে তৈরি সুতায় হবে উন্নতমানের কাপড়, শপিং ব্যাগসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক জিনিস। তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলে এলাকার অসংখ্য বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দেশ অর্জন করতে পারবে বিদেশি মুদ্রা। সেই সঙ্গে কলাগাছের বর্জ্য থেকে তৈরি জৈব সার দেশে সারের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানা গেছে, এলাকার কলা চাষিরা জমি থেকে কলা কেটে নেয়ার পর কলাগাছগুলো যত্রতত্র ফেলে রাখে। এই গাছ কয়েকদিন পরই পঁচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত করে। আর এ থেকেই মোজাম উদ্দিনের চিন্তায় আসে কলাগাছ থেকে পাটের মত আঁশ উৎপাদন করা। কারণ এর আঁশ যথেষ্ট মজবুত। কারিগরি জ্ঞান সম্পন্ন মোজাম উদ্দিন নিজেই দীর্ঘ চেষ্টার পর তৈরি করে আঁশ উৎপাদনের একটি মেশিন। যা দিয়ে তিনি এরই মধ্যে আঁশ উৎপাদন শুরু করেছে। তাকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছে তার স্ত্রী। কিন্তু মেশিন ২৪ ঘণ্টা চালাতে কমপক্ষে ১০ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এতে অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই নিজেই কলাগাছ সংগ্রহ, পরিবহন, কলাগাছের বাকল তোলা, তা মেশিনে দিয়ে আঁশ বের করা, পানিতে ধোয়া এবং রোদে শুকানোর কাজ নিজেই করে। ফলে আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে না তিনি। সরকারিভাবে তাকে প্রয়োজনীয় ঋণ দেয়া হলে এই কলাগাছের উচ্ছিষ্টকে শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী।
মোজাম উদ্দিন আরো জানান, চীনে এই আঁশের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এছাড়া ঢাকার একটি কোম্পানি এই আঁশ ক্রয়ের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং প্রতিকেজি আঁশের মূল্য ২৩০ টাকা মূল্যে এই আঁশ বিক্রি করা যেতে পারে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খালেদুর রহমান বলেন, কলাগাছের বাকল থেকে আঁশ উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছি এবং উৎপাদিত আঁশের নমুনা সংগ্রহ করে এর গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেছি। যদি গুণগত মান বিবেচনায় আঁশের চাহিদা পাওয়া যায় তাহলে উদ্যোক্তা মোজাম উদ্দিনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে গাইবান্ধা বিসিকের সহকারি ব্যবস্থাপক রবীন রায় জানান, তার এ বিষয়টি ভাল ও ব্যতিক্রর্মী উদ্যোগ। পঁচনশীল ফেলে দেয়া কলাগাছ থেকে ফাইবার উৎপাদন করার বিষয়টি একটি উল্লেখযোগ্য আবিস্কার।


এ জাতীয় আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর