রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
গাইবান্ধায় জেলা পরিষদ চত্বরে নতুন মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা গাইবান্ধায় ১ হাজার ১৭ ভুমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর শিক্ষার মান উন্নয়নে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছে সরকার : ডা. শিমুল এমপি জলবায়ু গণ শুনানি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন ড. আইনুন নিশাত রৌমারীতে ঘর পেয়ে মহাখুশি ভূমিহীন পরিবার গাইবান্ধায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাইকেল চালিয়ে ৪ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় তরুণী পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল গাইবান্ধা জেলা পুলিশ গাইবান্ধায় দুর্বল নারীদের সুবিধা কার্ড বিতরণ

অবিভক্ত বাংলার সাবেক এমপি ও মন্ত্রী আহম্মদ হোসেন উকিলের আজ ৬০তম মৃত্যু বার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৭৯ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৯ মে, ২০২১, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
গাইবান্ধার কৃতি সন্তান অবভিক্ত বাংলার সাবেক এম পি ও মন্ত্রী আলহাজ্ব আহম্মদ হোসেন উকিল

স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার কৃতি সন্তান অবিভক্ত বাংলার সাবেক এমপি ও মন্ত্রী আলহাজ্ব আহম্মদ হোসেন উকিলের আজ ৬০তম মৃত্যু বার্ষিকী। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত বিশ্বিস্ত-শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি ছিলেন। অবভিক্ত বাংলা সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রী সভার সাবেক কৃষিমন্ত্রী ছিলেন আলহাজ্ব আহমদ হোসেন উকিল । ১৯ মে ১৯৬১ সালে মৃত্যুবরণ করনে তিনি। দুই বার মন্ত্রী ও টানা ৮ বার এমপি থাকার সুবাদে নিঃর্স্বাথভাবে এবং অকাতরে হাজার হাজার মানুষের কল্যাণে প্রশংসনীয় কাজ করেছেনে। অবিভক্ত বাংলার সাবেক কৃষিমন্ত্রী গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজলোর জালালতাইড় গ্রামের কৃতি সন্তান। তাঁর ছেলে মো. আবু তাহের একজন সাদা মনের মানুষ। তিনি গোবিন্দগঞ্জ মহিলা কলেজের প্রভাষক হলেও সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের দাবি সরকারি ভাবে তার বাবার মৃত্যু বাঁষিকী পালন করা হতো। কিন্তু এখন আর হয় না।
সাবেক কৃষিমন্ত্রী আলহাজ্ব আহমদ হোসেন পেশায় একজন উকিল ছিলেন। তিনি গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জে রংপুর সুগার মিলস, মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসা, গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ, গাইবান্ধা কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টটিউিট(সাবেক ভিএইড)সহ আরও অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তার প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে। যা এখন কালের সাক্ষি হয়ে দাড়িয়ে আছে। তিনি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা গড়ে তুললেও তাঁর ছেলে মেয়েকে সেখানে কোন চাকুরী দেন নাই। তিনি নিজের হাতে দিয়েছেন হাজার হাজার ছেলে মেয়েকে চাকুরি। তিনি নিস্বার্থ, নির্লোভ ও পরোপকারী ব্যাক্তি ছিলেন। তিনি রংপুর সুগার মিল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে ছিলেন। তা কিছু মানুষের সার্থের কারণে আজ বিলিন হবার পথে। চাকুরীর উপযুক্ত সন্তান থাকার পরও তিনি এখানে তাঁর কোন সন্তানকে চাকুরী দেননি। সে জায়গায় অন্য একজন গরীব মানুষকে চাকুরী করার সুযোগ দিয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুর পর দেখা যায়, তিনি তাঁর এতিম সন্তানদের জন্য তেমন কিছু রেখে যাননি। একজন মন্ত্রী হয়ে তিনি অতি সাধারণ জীবন যাপন করছেন। একদম সাদামাটা। আজকের এই দিনে তিনি পৃথিবী থেকে চিরদিনের জন্য চলে গেছেন। তাঁর মৃত্যু দিবসে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার।-তথ্য সূত্র পারিবারিক।


এ জাতীয় আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর