আজ ১৩ আশ্বিন, ১৪২৮, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

গাইবান্ধায় প্রথম টিকা নিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মতিন

স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম রোববার সকাল ১০টায় উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি। এসময় প্রথমে টিকা নেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মতিন। করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম জেলা কমিটি এই টিকাদান কার্যক্রমের আয়োজন করে।

জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনকালে বলেন, গাইবান্ধার সর্বস্তরের জনসাধারণকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে “সুরক্ষা” অ্যাপের ম্যাধমে নিবন্ধন করে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণ করার জন্য আহবান জানান এবং অন্যদেরকেও টিকা গ্রহণে উৎসাহিত করার পরাপর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, টিকা গ্রহণের মাধ্যমে নিজে সুরক্ষিত থাকুন পাশ্ববর্তী সকলকে সুরক্ষিত রাখুন।

টিকা গ্রহণের পরে জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বলেন, কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া স¤পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অফিসিয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে তাঁর কোন অসুবিধাই হচ্ছে না। নিজে টিকা গ্রহনের পর তিনি গাইবান্ধার সকল নাগরিককে করোনার টিকা গ্রহনের আহবান জানান।

অন্যান্যদের মধ্যে টিকা নেন সিভিল সার্জন ডা: আ. ম. আখতারুজ্জামান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদা, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সাইফুল আলম সাকা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দুলাল, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার পাল, শিক্ষাবিদ জহুরুল কাইয়ুম, সাংবাদিক আবেদুর রহমান স্বপন, ফেরদৌস জুয়েল, উত্তম সরকার, আফতাব হোসেন প্রমুখ। এছাড়া সম্মুখ সারির স্বাস্থ্য বিভাগের ডাক্তার, সেবিকাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

উল্লেখ্য, টিকা গ্রহণ উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সদর থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

সিভিল সার্জন ডা: আখতারুজ্জামান জানায়, জেলায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট এক হাজার ৬৯৪ জনের রেজিষ্ট্রেশন পাওয়া যায়। গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলার সাতটি টিকা কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। আজ রোববার প্রথমদিন গাইবান্ধা জেলায় ৩৩০ জন টিকা গ্রহন করেন। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৯৫ জন, পলাশবাড়ী উপজেলায় ৫৪ জন, সাদুল্লাপুর উপজেলায় ৫৬ জন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬০ জন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৩০ জন, সাঘাটা উপজেলায় ২৫ জন এবং ফুলছড়ি উপজেলায় ১০ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর