সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুবিধা নিতে হলে শরীরচর্চার বিকল্প নেই – ডেপুটি স্পীকার গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল নারীদের ক্রীড়া ও ঐতিহ্যবাহী তীর ছোড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক উৎসব গাইবান্ধা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ সাদুল্লাপুরে ব্যবসায়ী জ্যোতিশ চন্দ্র রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ কুড়িগ্রামে মহিষের গাড়ীতে বিয়ে আত্রাইয়ের মনিয়ারী ইউনিয়ন আ”লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ি আটক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির বিশেষ সভা গাইবান্ধার তুলশিঘাটে বাস চাপায় নানি-নাতনি নিহত

পলাশবাড়িতে দরিদ্র পরিবারের সীমানায় প্রতিবেশীর বাড়ি নির্মানের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৪ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১, ৪:৩৬ অপরাহ্ন

পলাশবাড়ি প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার গৃধারীপুর মাস্টারপাড়া মিল্টন রোডে অতি দরিদ্র পরিবার দিল আফরোজা বেগম ও শাহ মোঃ খায়রুল বাশারের সীমানায় প্রতিবেশী কালিপদ সরকার সন্ত্রাসী বাহিনীর সহযোগিতায় পৌরসভার নকশা বিহীন জোর পূর্বক একটি পাকা ভবন নির্মাণ করে। এতে ওই ভবনের দেয়াল ও ছাদের পানি পড়ে ওই পরিবারের বসতবাড়ি ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। ওই ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য উকিল নোটিশ প্রদান ও পৌরসভার মেয়র বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। উপরন্ত অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা তাদেরকে নানা ধরণের হুমকি প্রদর্শন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পলাশবাড়ি থানায় একটি জিডি করা হলেও পুলিশ কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে ওই পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ফলে সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক কালিপদ সরকার ও তার সন্ত্রাসী চক্রের প্রতিকার ও শাস্তির দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শাহ মোঃ খায়রুল বাশার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, তারা ৪২ বৎসর পূর্বে জেএল নং ৭০, মৌজা- গৃধারীপুর, বিআরএস- ১০৬৪ নং খতিয়ান, হাল দাগ নং- ৪০৮৬ এ ৯ শতক জমি ক্রয় করে টিনের ঘর তুলে তারাই প্রথম বসবাস শুরু করেন। তারা গাভী পালন করে তার দুধ বিক্রি করে অতিকষ্টে জীবন যাপন করছিলেন এই দরিদ্র পরিবারটি। গত ১৫ বৎসর আগে তার প্রতিবেশী কালিপদ সরকার মাস্টার ও বিজলী রাণী সোয়া ২ শতক জমি ক্রয় করে তার পাশে বসবাস শুরু করে। কালিপদ মাস্টার প্রথমে বাড়ির সীমানা টিন দিয়ে বেড়া দেয়। কিছুদিন আগে টিনের বেড়া পরিবর্তন করে ইটের বেড়া নির্মাণ করার সময় সম্প্রতি ওই প্রাচীরের মাঝে মাঝে পিলার স্থাপন করলে তারা বাধা দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্যকে সাথে নিয়ে একটি শালিস বৈঠকে কাজ স্থগিত করার জন্য সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কালিপদ সরকার কোন সিদ্ধান্ত না মেনে গায়ের জোরে তাদেরকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমির উত্তর পার্শ্বের সীমানা ভেদ করে পৌরসভার নকশা ও অনুমোদন না নিয়ে সরকারি বিল্ডিং আইন কোড লঙ্ঘন করে ভিত্তি দিয়ে বিল্ডিং নির্মাণ করে। তারা ভবন নির্মাণ কাজে বাধা দিলে বাইরের সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা তাদেরকে ভয়ভীতি দেখায়। ফলে তারা থানায় সাধারণ ডায়েরী করে এবং পৌরসভার নকশা ও অনুমতিহীন অবৈধ স্থাপনা বন্ধের জন্য উকিল নোটিশ প্রদান করেন। সরকারি বিল্ডিং কোড ও পৌরসভার নিয়ম মতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে হলে ৩ ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে বিল্ডিং নির্মাণ করতে হয়। যা কালিপদ মাস্টার না করে তার সীমানার উপর ফাউন্ডেশন দিয়ে বিল্ডিং নির্মাণ করেছে।


এ জাতীয় আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর